×
সদ্য প্রাপ্ত:
সোনারগাঁয়ে দুই দিনে প্রায় ৪ হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নির্বাচিত হলে সুখে দুখে সর্বদা নবীনগরবাসীর পাশে থাকবো: চেয়ারম্যান প্রার্থী এইচ এম আল আমিন তিতাসে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ২ সহোদর প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩, গ্রেফতার-১ আইডিইবি ময়মনসিংহ শাখার সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার-২ গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা ভান্ডারিয়ায় মৎস্যজীবিদের মাঝে জাল ও বকনা বাছুর বিতরণ রায়গঞ্জে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হেলমেট ও ফুল বিতরণ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-০৬
  • ৯৮ বার পঠিত
ইন্টারনেট থেকে গায়েব হয়ে গেছে দুই মিলিয়নের বেশি গবেষণাপত্র। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। 

গত ২৪ জানুয়ারি জার্নাল অব লাইব্রেরিয়ানশিপ অ্যান্ড স্কলারলি কমিউনিকেশনে গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয় ৭০ লাখেরও বেশি ডিজিটাল প্রকাশনা নিয়ে গবেষণাটি করা হয়।

এতে দেখা গেছে, ইন্টারনেটে থাকা এক-চতুর্থাংশেরও বেশি জ্ঞানগর্ভ নিবন্ধ যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

জানা গেছে, অনলাইনে কাগজপত্র সংরক্ষণের ব্যবস্থা গবেষণার পরিমাণ বাড়ার হারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না।

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কবেকের সাহিত্য, প্রযুক্তি ও প্রকাশনা গবেষক লেখক মার্টিন ইভ বলেছেন, “আমাদের বিজ্ঞান ও গবেষণার পুরো সারগর্ভ সঠিক পাদটীকার ওপর নির্ভরশীল।”

তিনি বলেন, “যদি আপনি কোনও তথ্য যাচাই না করতে পারেন, তবে সে তথ্য ব্যবহার করার অর্থ হল; আপনি অন্ধ বিশ্বাসের মতো এমন তথ্যের ওপর নির্ভর করছেন, যা আপনি নিজেও পড়েননি।”

ইভ গবেষণা ও ডিজিটাল-অবকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা ‘ক্রসরেফ’-এর সঙ্গেও সম্পৃক্ত। 

তিনি সংরক্ষণাগারগুলোতে রাখা ডিজিটাল অবজেক্ট আইডেন্টিফায়ার (ডিওআই) লেবেলযুক্ত ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭টি গবেষণাকাজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করেছেন।

ডিওআই হল সংখ্যা, অক্ষর ও প্রতীকের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ধরনের চিহ্ন (ফিঙ্গারপ্রিন্ট), যা নির্দিষ্ট প্রকাশনা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: এটা কি গবেষণামূলক নিবন্ধ নাকি অফিসিয়াল প্রতিবেদন।

ক্রসরেফ হল- বৃহত্তম ডিওআই নিবন্ধন সংস্থা। এই সংস্থায় প্রকাশক, জাদুঘর এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ২০ হাজার শনাক্তকারী সদস্য রয়েছে।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ডিওআইগুলোর নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রতিটি সদস্য সংস্থায় নিবন্ধিত এক হাজার গবেষণাকাজ থেকে এলোপাতাড়িভাবে বাছাই করা হয়েছে।

এই গবেষণায় ব্যবহৃত নিবন্ধগুলোর ২৮ শতাংশ অর্থাৎ, দুই মিলিয়নেরও বেশি গবেষণাপত্রের সক্রিয় ডিওআই থাকা সত্ত্বেও, এগুলো কোনও ডিজিটাল সংরক্ষণাগারে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, বলা যায় সেগুলো গায়েব হয়ে গেছে।

ডিওআই লেবেলযুক্ত মাত্র ৫৮% নিবন্ধ মাত্র একটি সংরক্ষণাগারে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে, বাকি ১৪% নিবন্ধ এই গবেষণা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অতি সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া, কোনও জার্নাল নিবন্ধিত না হওয়া বা শনাক্তযোগ্য উত্স না থাকায় এই নিবন্ধগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: নেচার

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat